যদি বলি- "ভালোবাসা জীবনের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ, সেই জন্য আমি টাকাকে ভালোবাসি।" দেখুন, কে কাকে কতটুকু ভালোবাসবে বা ভালোবাসতে পারবে, সেটি এই যুগে এসে Loyalty দিয়ে প্রমাণ করা অসম্ভব। তবুও ভালোবাসার অপূর্ণতার লেশ থেকেই যাবে। তার প্রধান কারণ হলো-" অর্থনৈতিক দিক থেকে আপনার আর্থিকতা অনেক দুর্বল। আমরা অনেকেই আবেগী হয়ে আলাপে কিংবা সমালোচনার ক্ষেত্রে স্বচ্ছ ভালোবাসার উপ-ব্যাখ্যা করি এবং একে অপরকে বোঝায়। কিন্তু এই বোঝানোতে কিংবা আলোচনার মাধ্যমে এই যুগের মানুষকে কখনো সঠিকরুপে মোটিভেট করা সম্ভব না। যদিও কেউ এতে মোটিভেট হয়, তাহলে সেটি সী…
একজন চরিত্রহীন ব্যক্তিকে চেনার উপায় কি..? একজন চরিত্রহীন ব্যক্তিকে চেনা একদম সহজ কাজ নয়। কারণ অনেক সময় তারা নিজেদেরকে খুব ভালোভাবে প্রকাশ করতে পারে। তবে কিছু বিষয় লক্ষ্য করলে আপনি একজন চরিত্রহীন ব্যক্তিকে চিনতে পারবেন। ☞ চরিত্রহীন ব্যক্তিকে চেনার কিছু উপায়:- ◑ মিথ্যাচার:- চরিত্রহীন ব্যক্তিরা প্রায়ই মিথ্যা বলে। তারা নিজেদেরকে ভালো দেখাতে বা কোনো লাভের জন্য মিথ্যা কথা বলতে পারে। ◑ বিশ্বাসঘাতকতা:- এই ধরনের ব্যক্তিরা বিশ্বাসঘাতক হতে পারে। তারা আপনার উপর বিশ্বাস করে কাজ করবে না এবং আপনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে পারে। ◑ অন্যের প্রতি অবহেলা:- …
একটা বিষয় প্রত্যেকের সব সময় মনে রাখা উচিত... কখনো দুই মনোভাবের মাঝে নিজেকে পরিচালনা করা উচিত না। পরি স্থিতি অনুসারে দুই মনোভাবের মাঝে নিজেকে পরিচালনা করাটা বাধ্যতামূলক হয়ে পরলে, তা বিপরীত পক্ষ ব্যক্তিকে দুই ধরনের মনোভাব যথাসাধ্য প্রকাশ করার চেষ্টা করবেন। যদি দুই মনোভাবের মধ্যে যে কোনো একটি প্রকাশ করে অন্যটা আড়াল করলে আপনি আপনার মনকে কখনো শান্তিতে রাখতে পারবেন না। সব সময় আড়াল করা মনোভাবটি আপনার মনকে প্রতিনিয়ত আঘাত করতেই থাকবে। তাই দুই মনোভাব প্রকাশ করাটা আবশ্যক। Example :- আপনার স্ত্রী আপনার অর্থবান দেখে বিয়ে করেছে। আপনার সুষ্ঠু ও সুন্দর অথব…
প্রিয়..... আসসালামু আলাইকুম। কোনো কারনে কিংবা কোনো এক স্বার্থের অজুহাতে, প্রিয় মানুষকে বিদায় নামক পত্রটি লিখার শুরুটা হয়তো সবাই এভাবে'ই করে। আমিও প্রিয় মানুষটির কাছ থেকে চিরবিদায় নেওয়ার সে সব ব্যক্তিদের মাঝে একজন। আমার এই পত্রটি পাওয়ার পর হয়তো তোমার সাথে আমার আর দেখা হবে না। দেখা না হওয়াটাই স্বাভাবিক। আর দেখা না করাটাই উচিত। কারন, প্রিয় মানুষের সামনে চোখে চোখ রেখে চূড়ান্ত বিদায় দেওয়াটা বড্ড কঠিন। বলা যায় এক প্রকার অসম্ভব। এমন অবস্থায় মহা চিন্তাই পরে যেতে হতো, "তখন চোখের জল সামলাবো..নাকি দুটি হৃদয়ের বিচ্ছেদে অনলে জলতে থাকা এ…
ব র্তমান সময়ে এসে দাম্পত্যজীবনের সমাপ্তি ঘটাতে ডিভোর্স (তালাক) মারাত্মক একটি ব্যাধি হয়ে দাড়িয়েছে। একটা সময় উক্ত ডিভোর্সের মূল কারণ ছিলো- স্বামী কিংবা স্ত্রীর মধ্যে যে কোনো একজনের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের কারণে। কিন্তু বর্তমান সময়ে এসে আরো নতুন কিছু নেতিবাচক বিষয় সংযুক্ত হয়েছে। বিশ্লেষণ করলে এর কারণ অনেক। তার মধ্যে বর্তমান সময়ের প্রচলিত উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় তুলে ধরা হলো- একটা সময় ছেলেরা জানতো- ভদ্র, ধার্মিক এবং চরিত্রবান হলে বিয়ের বাজারে তার কদর সব চেয়ে বেশি হবে। তাই অর্থ-সম্পদ এবং ক্যারিয়ার গড়ার পেছনে না দৌড়ে দৌড়াতো ধার্মিকতা, ভদ্রতা…
শেষ একদিন সবকিছুর'ই হবে। সবার ক্ষেত্রে। কারো স্বাভাবিক ভাবে। কারো আবার জঘন্যভাবে। এখন বিষয় হলো -"জঘন্যভাবে কেনো..??" কারন তো অবশ্যই আছে..!! হ্যাঁ, কারন অবশ্যই আছে। সেটার প্রধান কারন হলো -'' আমাদের কর্ম পদ্ধতি।" আর কর্ম পদ্ধতি নির্ভর করে আমাদের চারিত্রিক দক্ষতা ও শারীরিক ক্ষমতার উপর। তবে সবচেয়ে অধিক গুরুত্বপূর্ণ হলো মানসিক ও চারিত্রিক দক্ষতা। চারিত্রিক ও মানসিক দক্ষতার ভিত্তিতেই কর্ম করার শারীরিক ক্ষমতা তৈরী হয়। কিন্তু আপনার চরিত্র ও মানসিকতা যদি নোংরা প্রকৃতির হয় তাহলে কর্ম ক্ষমতার প্রকাশ ঘটবে নোংরাভাবে। Earn Mon…
সুন্দর মেয়ে দেখে বিয়ে করার উত্তেজনা মনোভাব অধিকাংশ পুরুষের মাঝে থাকে। এমনকি অধিকাংশ ছেলে পক্ষের পরিবারের মাঝেও এমনটা দেখা যায়। কিন্তু আমরা কিছু পুরুষ আছি, যারা একটি বারের জন্য হলেও এটা ভাবি না যে, "মেয়েটার চলা-চরিত্র কেমন?"... অতঃপর ভুল আর প্রায়শ্চিত্ত তখন থেকেই শুরু হয়। বিয়ের কয়েক মাস যেতে না যেতেই যখন পুরুষ বুঝতে পারে-" সৌন্দর্য দেখে যে মেয়েকে নিজের স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করেছে, সেই মেয়েটার চরিত্র ভালো না। এটা শুধু ছেলে ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ না। এমনটা এক নারীর জীবনেও হয়ে থাকে। অট্টালিকার সম্রাজ্য আর সুদর্শন পুরুষ দেখে নারীরা বিয়ে করে…